আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান মাইডাস ফাইন্যান্সিং পিএলসির শেয়ারদর গত মাসের শেষ সপ্তাহে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে লোকসান ছিল ৩ টাকা ৮২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে লোকসান ছিল ৮৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৭৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি মাইডাস ফাইন্যান্সিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬ টাকা ৭৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৬০ পয়সায়। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১ শতাংশ স্টকের বাইরে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ।
২০০২ সালে তালিকাভুক্ত মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪৩ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। পূঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭। এর মধ্যে ৩৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৪২ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।